
সালমানের আগুন, আগুনের সালমান
সালমান কিন্তু নেই। শুনে আমি হতবাক। সব ফেলে চলে গেলাম ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে।

সালমান কিন্তু নেই। শুনে আমি হতবাক। সব ফেলে চলে গেলাম ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে।

বালিকা রিকশার বা পাশে, আমি ডান পাশে। মানে রিকশাওয়ালার ডান আর বা পাশ। দুপুরের কড়কড়ে রোদ,

ভয়ে জড়ো সরো হয়ে বিছানায় বসে ছিলাম । ডায়েরিটা বের করে চট করে লিখেছি, ‘একটা অচেনা

তুই মেয়েমানুষ নাকি! নায়কের ছবি জমাস কেন!’ খালাটা বোকা, বোঝেনও না। সালমানের মাথায় বাধা রুমাল

এক রেস্তোরাঁয় আড্ডা দিচ্ছিল বেশ কয়েকজন তরুণ-তরুণী। হঠাৎ একটা তেলাপোকা উড়ে এসে বসল এক তরুণীর কাঁধে।

‘চাঁদ সওদাগরের জেদ ছিল, মনসার পূজা সে কিছুতেই করবে না। কিন্তু মনসা দেবীর পূজা তাকে দিতেই

প্রথমেই জানা যাক গল্পের নামের তরজমা ও তাফসির। ভাত হলো সেদ্ধ চাল, যা ধান থেকে উৎপাদিত

ঘুম মাখানো চোখে লঞ্চের রেলিংয়ে দাঁড়িয়ে দেখি, ভোর হচ্ছে। পুব দিকের কালো আকাশে আলোর রেখা। ময়লাটে

আমি শোষিতের দিকে নজর ফেরাতে চাই। শোষিতের মধ্যে সংখ্যায় সবচেয়ে কম যারা, তাদের জন্য আমার প্রাণ

বেলা সাড়ে একটা । সাড়ে বারোটার পরের ঘণ্টাকে সাড়ে একটা বললে ভুল হবে? সাড়ে একটা বলার